Thursday, January 12, 2017

আমার ভাবনা
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
ঈদের জামা চাইনা আমি জুতা অন্য কিছু
চাইযে আমি খুজতে তাদের
একটি জামাও নাইকো যাদের
নেব তাদের পিছু।।
দুঃখে ভড়া জীবন যাদের তাদের বুকে নেব
কোলাকুলে করব তুলে
দুঃখ যত দেব ভুলে
মোটা –চিকন কাবো।।
ঈদ মানেতো নেই ভেদাভেদ ধনি-গরীব কুলি
নেইকো উচু-নীচু আবার
ঈদ আনন্দ সমান সবার
হিংসা যত ভুলি।

https://www.facebook.com/RoginSutarGhuri
রুখতে হবে
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
গাছ কেটে বন কেটে
করে যারা উজাড়
ওরা তো মানুষ নয়
শত্রু সবার।।
ওরা কেরে নিচ্ছে যে
প্রকৃতের সুখ
দুঃখতে ভরে দেবে
সকলের বুক।।
সাড়া নেই পাখিগুলর
নেই প্রজাপতির
প্রক্রিতি হারালোযে
তার সৌন্দর্যটি।।
সুবুজ শ্যামল ঘেরা
বাংলা এ দেশ
সকল দেশের সেরা
কেনো আজ এবেশ।।
প্রতিহত করবো'যে
করবে'যে তুমি
কভু হতে দেব নাকো

স্নেহময়ী মা
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
মা'যে আমায় লক্ষি সোনা বলে তুমি ডাক
এতো আদর স্নেহ মায়া
লুকিয়ে তুমি রাখ ।
পাঠশালাতে যাবার আগে কপালে দাও চুমো
রাত একটু জাগলে বলো
লক্ষি ছেলে ঘুমো ।
ঘুম না এলে কেচ্ছা বলে ঘুম আনো মা চোখে
তাওনা এলে মোর মাথাটি
জড়িয়ে নাও বুকে।
ঘুমিয়ে পরে তোমার বুকে যাই অচিনপুরি
হেসে খেলে তোমার সাথে
হাত ধরে মা ঘুড়ি।
নেই সেথা নেই চিন্তা কোন ভাবনাও নাই ছোট
ভোর হলেই ডাক তুমি
লক্ষি জাদু ওঠো।
নিদ্রা কাটে তাও থেকে যায় সপ্নপুরির রেশ
তবুও তোমার আচল ছায়া
বেশ বেশ বেশ।
ইচ্ছে জাগে
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
ছোট্ট বেলার হাড়ানো স্মৃতি
রঙ্গিন সপ্ন গুলো
মুক্ত গগনে পাখির মতো
উড়ে হারিয়ে গেল।।
গ্রীষ্মকালে পুকুর জলে
কত রঙের খেলা
আনন্দে মোন থাকতো মুখোর
যায়না কভু ভোলা।।
বিকেল-সাঝে ঘুড়ি নিয়ে
গগনে দিতাম উড়ে
বাহাদুরি করতো খুবি
গিয়ে ওই সে দূড়ে।।
আম কুরাতাম বৃষ্টি ভিজে
কতইনা আনন্দ সুখের
মাছ ধরতাম সকাল- সাঝে
দিয়ে আদার ইচের।।
বিলেঝিলে ফুল তুলতাম
পদ্ম আর শাপলা
গোল্লাছুট কানামাছিতে
মত্তে বসে মনটা।।
বরষা এলেই অথৈ জলে
যায়রে ভূমি ছেয়ে
এড়ি মাঝে আনন্দ বেদম
নোওকা ভ্রমনে যেয়ে।।
ইচ্ছে জাগে আবার হতে
সেই ছোট্ট ছেলে
রঙ্গিন সপ্ন দেখব আবার
চোখটি দুখান মেলে।।

facebook.com/RoginSutarGhuri
শরতের ঋতু
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
ডালে ডালে প্রজাপতি
খালে হাটু জল
ফুলে ফুলে মৌমাছি
মধু নিয়ে দল।
সফেদ-সফেদ মেঘ ভাসে
দুধে ধোয়া রঙ
উকি দিয়ে রোদ হাসে
জল খেলে ঢঙ।
ঝাকে ঝাকে বেলেহাস
বলাকাও উড়ে
শরতের যত রুপ
প্রকৃতির ক্রোরে।
বিলে ঝেলে ফোটাফুল
পদ্ম ও শাপলা
লাল-সফেদের বাহারেতে
কেরে নেয় মনটা।
হিমেল স্নিগ্ধ সমীরে
কাশফুল দোলে
জ্যোৎনাভড়া রাতে
কথা ঝুড়ি খোলে।
ছয়টি ঋতু নিয়ে
বাংলা এদেশ
সাকুল্য ঋতুর মাঝে
শরতই বেশ।

www.facebook.com/RoginSutarGhuri
বেখেয়াল
এস এম নাজমুস সাকিব - রঙ্গিন সুতার ঘুড়ি
যাযাবরের সাধ জেগেছে মনে,
এবার বুঝি হয়ে যাব তাই ;
পণ করেছি কয়েক জনে মিলে
বাঁধসাধার কারো সাধ্য নাই ।
আমার কাছে আছে দামি কুপি,
চাই জ্বালাতে স্ফুলেঙ্গেরী মেলায়;
মাঝে মাঝে রকমারি সাজি
ধাঁধাঁ লাগি নিজের গড়া খেলায় ।
কোনযে মোনে এলাম নদীর ঘাটে,
দেখতে পেলাম উথথাল পাথাল ঢেউ;
শুনতে পেলাম তরঙেরি ধবনি
আমার মতো দেখছে অনেকেউ ।
মাঝ নদিতে নৌকা নিয়ে জেলে,
জাল ফেলেছে নদির বুক মাঝে;
কেউ বা আবার দিচ্ছে নদি পাড়ি
যে যার মতো মোন দিয়েছে কাজে ।
মাঝি ভাই নায়ের পাল তুলে,
জাল ফেলেছে নদির বুক মাঝে;
বাধা ঘাটে নায়ে বেদেনীরা
ঘাটি করে আছে কিনারাতে।
হিমেল হাওয়া পরশ বুলায় দেহে,
নদির ওপার আকাশ গেছে নেমে ;
ভাবি আমি ওপার গেলেই বুঝি
পারবো যেতে সুনীল গগনেতে ।
সূয্য ক্রমেই লাল হয়েছে ভারী,
এবার বুঝি করবে সে যে স্নান;
তাইনা দেখে ফিরছে সবাই বাড়ি
মিনারেতে হচ্ছে যে আযান ।

https://www.facebook.com/RoginSutarGhuri